২০১৯ এর আগে কংগ্রেস খেল বড়ো ঝটকা ! পার্টির ২ নেতা দিলো ইস্তফা।

India Rag ডেস্ক : বিগত কিছুদিন ধরে কংগ্রেসের মধ্যে অদ্ভুত কষাকষি শুরু হয়েছে। লাগাতার কংগ্রেসের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব লেগেই রয়েছে। যা নিয়ে সোনিয়া দিল্লীতে দু দু বার মিটিং পর্যন্ত ডেকে ফেলেছেন। মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের বড়ো নেতারা সেই সমস্থ নেতাদের মানাচ্ছে যারা টিকিট দেওয়া ও পদ দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার দিন MP এর বাড়ায়নি জেলা কংগ্রেস দপ্তরে পদ দেওয়া নিয়ে হৈচৈ শুরু হয়ে গেছিলো যার জেরে এক বড়ো নেতা সহ ১৫০ জন কংগ্রেস কর্মী দল থেকে পদত্যাগ করেন। মঙ্গলবার দিন সকালেই কমলনাথ বলেছিলেন, পার্টির সমস্থ সদস্যদের মানিয়ে নেওয়া হয়েছে এবিং সকলেই আবার মন দিয়ে আগের মতো পার্টির সাথে কাজ করবেন।

কংগ্রেস দপ্তরে অশান্তি

কিন্তু সন্ধ্যে হতে না হতেই আবার কংগ্রেস পার্টি দপ্তরে অশান্তি লেগে যায়। কংগ্রেস বাড়ায়নি জনপদের পঞ্চায়েত অধ্যক্ষ ও নগরপালিকার পূর্ব সভাপতি নিজের সমর্থকদের নিয়ে পার্টি দপ্তরে গিয়ে হাজির হন এবং কমলনাথকে নামসহ  নিজেদের  পদত্যাগ দেন। আসলে এনাদের বক্তব্য কংগ্রেস সঠিক উপায়ে এলাকায় পার্থী নির্বাচিত করেনি।

আরও পড়ুন : বিগ ব্রেকিং: মমতা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ,আদালতে মাদার ডেয়ারি মামলা

বাড়ায়নি জনপদে যেন শিক্ষিত ব্যাক্তিকে পার্থী দেওয়া হয় তাই দাবি নিয়ে এক বড়ো নেতা ও তার ১৫০ সমর্থক এক হয়েছিলেন এবং পার্টি থেকে বর্তমানে পদত্যাগ করেছেন। শুধু তাই নয় কংগ্রেস পার্টির এই সদস্যরাও সুরে রঞ্জন মন্ডলের সমর্থন করছিলেন। সদস্যরা বলেন, কোনো পার্টি শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।এই কারণে এলাকা পিছিয়ে পরে যাচ্ছে এবং জনগণ পলায়ন করছে।

শিক্ষার অভাবে এখানে কোনো রোজগার নেই সেই অর্থে মানুষ এলাকায় থাকতে চাইছে না। তাই পার্টির উচিত ভাবনাচিন্তা করে স্বার্থহীনভাবে পার্থী নির্বাচন করা। প্রসঙ্গত, জানিয়ে দি কয়েকদিন আগেই রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসবে সেই নিয়ে দ্বন্দ শুরু হয়েছিল যা হিংসার রূপ ধারণ করেছিল। কংগ্রেরসের এক দল দাবি করেছিল মধ্যপ্ৰদেশে শচীন পাইলেটকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হোক, অন্যদিকে আরেক দল দাবি করেছিল অশোক গেহলেটকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হোক। যদিও অশোক গেহলেট, গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে তাকেই পদে বসানোর সিধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গান্ধী পরিবার চাই না যে কংগ্রেস দল তাদের হাতের বাইরে চলে যাক, এই কারণেই অশোক গেহলেটকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিধান্ত নিয়েছে। যার জেরে পার্টি থেকে তাবড় নেতা ও প্রদেশ মুখপাত্র ইন্দ্রোমোহন দল ত্যাগ করে ইস্তফা দিয়েছিলেন।

1862Shares