বিগ ব্রেকিং : এবার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তে নামলো সিবিআই

রানার প্রতিবেদন : বিভিন্ন চিটফান্ড বিভিন্ন সময়ে মমতা ব্যানার্জির আঁকা ছবি কিনেছে এবং তাঁর জন্য তারা দিয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। চিটফান্ড গুলোর নির্দিষ্টভাবে মমতার আঁকা ছবির প্রতি আগ্রহ এবং তাঁর আকাশ ছোঁয়া মূল্য নিয়ে অতীতে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে, চূড়ান্ত সমালোচনাও করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এবার সেই পুরোনো বিতর্ক নতুন করে উস্কে দিল সিবিআই। বিভিন্ন চিট ফান্ডের হেফাজত থেকে মোট এরকম ২০ টি ছবি উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তারা এবার খুঁজে দেখতে চাইছে ছবির মূল্য এবং ছবি কেনা-বেচার পেছনে প্রকৃত কারণগুলি। একারণে তারা একে একে তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করছে। ইতিমধ্যে তৃণমূল নেতা সুব্রত বক্সীকে ডেকে একদফা জেরা করেছে তারা। এবার ডেকে পাঠানো হয়েছে ডেরেক ও ব্রায়ানকে। ডেরেক জানিয়েছেন , এখন সংসদ অধিবেশন থাকায় এই মুহূর্তে তার পক্ষে আসা সম্ভব নয়।

সিবিআই সূত্রের দাবি, যে ছবি গুলি তারা উদ্ধার করতে পেরেছে সেগুলি তিনলক্ষ টাকা থেকে দশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে কেনা হয়েছে। কেন কেনা হয়েছে সেটাই খুঁজে দেখছেন তারা। যদি চিটফান্ড গুলি নিজেদের ছবির সম্ভার বাড়ানোর জন্য ছবি কিনতো তবে অন্য ছবিও তাদের কাছে পাওয়া যেত কিন্তু এদের কারও কাছেই মমতার ছবি ছাড়া অন্য কারও ছবি পাওয়া যায়নি। তাহলে শুধু মমতার ছবি কেন? গোয়েন্দারা এরই উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছেন এখন।

প্রাক্তন পুলিশ কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছবিগুলি যারা কিনছেন, তাদের আয় যে সৎপথে নয় তা কি জানতো না রাজ্য সরকার?এই প্রশ্ন উঠবেই। মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী হবার পরই তাঁর ছবি কেনার হিড়িক পরে যায় চিটফান্ডগুলির। যে কোম্পানি গুলি কিনছে তাদের সম্পর্কে রাজ্য সরকারকে দফায় দফায় সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সুতরাং মুখ্যমন্ত্রী কিংবা তার সরকার এই সংস্থাগুলি সম্পর্কে অবগত ছিলনা, সেটা বলা কঠিন হবে বিক্রেতার পক্ষে। বিতর্ক চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি দল চালানোর খরচ তোলার জন্যই ছবি বিক্রি করে থাকেন। কিন্তু চিটফান্ড গুলি লাটে ওঠার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর ছবির ক্রেতায় কেন ভাটা পড়লো? দুয়ে দুয়ে চার অঙ্ক মেলানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।