সুশাসন দিবসে দেশবাসীকে দেশের লম্বা সেতু উপহার দেবেন মোদী

longest railway bridge

সব সংবাদ, দিল্লী : আজ বিকেলে আসামের ডিব্রুগড়ে দেশের দীর্ঘতম রেলপথ সড়ক সেতু ‘বগীবিল’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটি উত্তর ও দক্ষিণ উপকূলের ব্রহ্মপুত্র নদীকে সংযুক্ত করবে। সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৯৪ কিমি। সরকারী মতে, ২৫ শে ডিসেম্বর অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন সেই দিনে সরকার ‘সুশাসন দিবস’ পালন করে আসছে। ‘সুশাসন দিবস’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে এই সেতুকে উপহার দেবে।সেতুটি এতটা শক্তিশালী যে তার উপর দিয়ে বড় বড় সামরিক ট্যাঙ্ক এর উপর দিয়ে অনায়াসে যেতে পারবে। প্রয়োজন হলে যুদ্ধ বিমান সেতুতে অবতরণ করতে পারবে।

আরও পড়ুন : বাজপেয়ীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহত্তম রেল ব্রিজের উদ্বোধন মোদীর

১৯৯৭ সালে যুক্ত ফ্রন্টের সরকারের প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেভে গৌড়া সেতুর শিলান্যাস করেন, তার পাঁচ বছর পর ২০০২ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী অর্থাৎ তৎকালীন বিজেপি সরকার তার নির্মাণ শুরু করে। সেতুর মোট খরচ ৫৯২০ কোটি টাকা ছিল।

চীন সীমান্ত শক্তিশালী করার লক্ষ :

গত ১৬ বছরের সময়সীমা পার করে সেতুটির নির্মাণকার্য শেষ হলো।পরীক্ষামূলকভাবে এই সেতু দিয়ে ৩রা ডিসেম্বর প্রথম মালবাহী ট্রেন পাস করে । বগুবেল সেতুটি অরুণাচল প্রদেশ থেকে চীন সীমান্ত পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্পে নির্মিত হয়েছে। ভারত-চীন সীমান্ত প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ।

আসাম থেকে অরুণাচল প্রদেশ যেতে ১০ ঘন্টা সময় কম লাগবে :

বগীবিল সেতু ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারদের একটি অসাধারণ কাজের নমুনা বলা হয়। এটি আসামের ডিব্রুগড় থেকে অরুণাচলের ধামাজীর সাথে যুক্ত হবে। এর ফলে আসাম থেকে অরুণাচলের দূরত্ব ৭০০ কিলোমিটার থেকে কমে ১৮০ কিলোমিটার হবে। অর্থাৎ অসম থেকে অরুণাচল যেতে ১০ ঘন্টা সময় কম লাগবে। CPRO প্রণব জ্যোতি শর্মা বলেন ব্রহ্মহপুত্র নদীর উপরে এই সেতু বানানো একটি চ্যালেঞ্জের কাজ ছিল। এই এলাকায় বৃষ্টিও অনেক বেশি হয়। এছাড়া ভূমিকম্পের ও ভয় ছিল।

এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম লম্বা সেতু :

বগীবিল এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রেলওয়ে সড়ক সেতু। ১২০ বছর এই সেতুর জীবদ্দশা বলা হচ্ছে। সেতু নির্মাণের জন্য ৩০ লক্ষ প্যাকেট সিমেন্ট ব্যাগ ব্যবহৃত হয়েছে। ১২,২৫০ মিটার লোহা ব্যবহার হয়েছে এই সেতু বানাতে।

562Shares