ছত্তিশগড়ে কংগ্রেস বিজেপি ছাড়া বেশিরভাগ প্রার্থীর হতে পারে জামানত জব্দ হতে পারে

 সংবাদ: সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের গণনার ও ফলাফল এর জন্য কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। সমস্ত প্রার্থীদের ভাগ্য এখন ইভিএম বাক্সে বন্দী। ফল প্রকাশের পর বিজয়ী প্রার্থীদের উৎসব জোরকদমে শুরু হয়ে যাবে। সেইসাথে পরাজিত প্রার্থীর সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন ডুব মারবে অথৈ জলে। কিন্তু লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি হবে যে সমস্ত প্রার্থীর জামানত জব্দ হবে। নির্বাচনী যুদ্ধে ‘জামানত জব্দ’ শব্দটি সব থেকে কষ্টদায়ক। প্রত্যেক নির্বাচনে বহু প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়ে যায়। জামানত হিসাবে জমা করা কোটি কোটি টাকা নির্বাচন কমিশনের কাছে থেকে যায়।


কাদের জামানত জব্দ হয়?

একটি নির্বাচনী ক্ষেত্রে যতগুলো বৈধ ভোট পড়েছে তার ছয় ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যদি কোনো নির্বাচনই ক্ষেত্রে এক লক্ষ ভোটদান হয়ে থাকে, তাহলে জামানত বাঁচাতে গেলে ওই প্রার্থীর নূন্যতম ১৬ হাজার ৬৬৬ টি ভোট পেতে হবে।

জামানত হিসাবে কত জমা রাখতে হয়?

বিধানসভা ক্ষেত্রে জামানত হিসাবে দশ হাজার টাকা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিতে হয়। তপশিলি জাতি ও উপজাতি প্রার্থীর জন্য পাঁচ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এই জামানত অর্থ ছিল মাত্র দুশো টাকা।
২০০৩ সালে ও ২০০৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কমিশনের কাছে প্রায় ৫কোটি ২৫ হাজার টাকার উপরে জামানতের টাকা রয়েছে। ২০১৩ সালে ৩৫৫ জন নির্দল প্রার্থীর মধ্যে ২৪৮ জনের জামানত জব্দ হয়ে গিয়েছিল।
সবথেকে চমকে দেওয়ার খবর হলো, বহু জন সমাজবাদী পার্টি একটি জাতীয় পার্টি হিসাবে স্বীকৃতি পেলেও ২০০৩ সালে ৫৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪৮ জনের জামানত হারিয়েছিল। ২০০৮ সালের ৯০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮৩ জনের এবং ২০১৩ সালে ৯০ জনের মধ্যে ৮৪ জনের জামানত ফিরে পাননি। এবার মায়াবতী প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা অজিত যোগ এর সাথে জোট করেছে ৯০ টি আসনের মধ্যে বহু জন সমাজবাদী পার্টি ৩৫ টি এবং অজিত যোগীর কংগ্রেস ৫৫ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।