রথ যাত্রার পরিবর্তে আইন অমান্য? বিজেপির নয়া কৌশল কি?

0
1

সবসংবাদ: প্রশাসনের অসহযোগিতায় উচ্চ আদালতে আটকে গিয়েছিল রথ যাত্রার কর্মসূচি। পরে আদালত, বিজেপিকে প্রশাসনের সাথে বৈঠকে বসে রথ যাত্রার কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করে রথযাত্রা শুরু কথা করার কথা বলেন। বারবার প্রশাসনের সাথে বৈঠকেও সেই জট কাটেনি। রথযাত্রা কর্মসূচি কোনরকমে বন্ধ হলে বিকল্প কর্মসূচির কথা ভাবছে রাজ্য বিজেপি। আগামী ২২ ২৪ ও ২৬ শে ডিসেম্বর রথযাত্রা কর্মসূচির জন্য রাজ্য প্রশাসনের কাছে প্রস্তাব দিলেও সেই কর্মসূচি আদৌ বাস্তবায়িত হবে কিনা সে নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু সিদ্ধান্ত হয়নি।

রাফায়েল নিয়ে বড় পদক্ষেপ। বিজেপির একসাথে ৭০ জায়গায় সাংবাদিক সম্মেলন

বিজেপির কথায় রথযাত্রা হবেই উচ্চ আদালতে এর মীমাংসা না হলে সর্বোচ্চ আদালতে যেতে প্রস্তুত রাজ্য বিজেপি। কিন্তু রথযাত্রা কর্মসূচিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা ও অসহযোগিতার প্রতিবাদে সারা রাজ্যে সভা করার কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। কোথাও এই কর্মসূচিতে প্রশাসনের থেকে বাধা এলে আইন অমান্য কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা আসবেন রাজ্যে সভা করতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি অমিত শাহ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এর সভা করার কথা আছে।

রথযাত্রার আগেই তৃণমূল ভয় পেয়ে পোস্টার ছিঁড়ছে রাতের অন্ধকারে

হুগলির আরামবাগে গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রার প্রচারে গিয়ে দিলীপ ঘোষ জানায়, আমাদের দলের ও বিজেপি কর্মীদের উপর হওয়া সমস্ত অন্যায়ের বদলা নেব। আমরা তৃণমূলকে ওই ভাষায় জবাব দেব, যে ভাষা তৃণমূল বোঝে। শাসকদল গণতন্ত্রের উপর ভরসা হারিয়েছে। তাই গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা আটকানোর চেষ্টা করছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, রাজ্য সরকার গনত্রন্ত্রের বিরুদ্ধে। বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ অর্থাৎ রথযাত্রাকে ভয় পাচ্ছে।

837Shares