রাজ্য বিজেপিকে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রশিক্ষণ দিতে আসছে দিল্লী

social

সব সংবাদ : আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য বাংলা থেকে কমপক্ষ্যে ২২ টা আসন। আর সেই লক্ষ্যেই ঝাঁপাচ্ছে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশ থেকে বিজেপি আশিটা আসনের মধ্যে ৭৩ টা আসন নিজেদের দখলে এনেছিল। গুজরাট রাজস্থান মধ্যপ্রদেশ ছত্তিশগড় দিল্লিতে প্রায় সবকটি আসনে নিজেদের দখলে রেখেছিল বিজেপি। কিন্তু সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে দিল্লি ছাড়া সবকটি রাজ্যে বিজেপির ফল আশানুরূপ হয় নি। আগামী লোকসভা নির্বাচনে এই সমস্ত রাজ্যে বিজেপির লোকসভার আসন ও কমতে পারে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই এই সব রাজ্যের আসনের ঘাটতি মিটিয়ে লোকসভায় ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বেশি আসন বিশিষ্ট রাজ্যগুলির দিকে নজর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতারা। কেন্দ্রীয় সভাপতি অমিত শাহ বাংলায় এসে ২২ আসনে জয়ের লক্ষ্যে নেতাদের কাজ করার নির্দেশ দিয়ে গেছেন। সেই নির্দেশকে বাস্তবায়িত করতে ফর্মুলা বোঝাতে বার বার কেন্দ্র থেকে দল পাঠাচ্ছে অমিত শাহ। তিনি নিজেই এসে একবার সোশ্যাল মিডিয়ার কর্মীদের নিয়ে রুদ্ধাদ্বার বৈঠক ও করেছেন।

আরও পড়ুন : পুরানো সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসিক জয় বিজেপির

আনুধিক রাজনীতির প্রচার এখন আর পোস্টার, ফ্লেক্স, দলীয় পতাকা, দেওয়াল লিখনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সোশ্যাল মিডিয়ার ফেইসবুক, হোয়াটসআপ আর টুইটারের মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষের কাছে সেকেন্ডের মধ্যে পৌঁছে যাবার আধুনিক সুযোগ আছে। এই আধুনিক ব্যবসার সুযোগকে সম্পূর্ণ কাজে লাগিয়ে ২০১৪ সালে বিজেপি অনেকটা সাফল্য পেয়েছিলো। কিন্তু এই সুযোগকে এখন কাজে লাগাতে সক্ষম বিজেপি বিরোধীরাও। তাই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক হতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে।

আরও পড়ুন : রাজ্য বিজেপির প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্র থেকে আসছে বিশেষ দল

রাজ্য বিজেপি এখনো সোশ্যাল মিডিয়াতে রাজ্যের শাসক দলের থেকেও শক্তিশালী। লোকসভা নির্বাচনের আগে দলকে শক্তিশালী করতে সোশ্যাল মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি সেলকে আরো শক্তিশালী করতে দিল্লী থেকে আসছে প্রশিক্ষক। দিল্লী থেকে বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা বিহারের নবনিযুক্ত নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব আসছেন রাজ্য বিজেপির লোকসভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে। তিনি ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতার নির্বাচনী প্রচার কৌশল শেখাবেন। নতুন বছরের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টে বিজেপি রথ যাত্রার অনুমতির জন্য মামলা করবে। যদি রথযাত্রার মতো প্রচারাভিযান অনুমতি না পায় তাহলে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচারের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে রাজ্য বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া সেল।