রামের ঠিকানা কি অযোধ্যা? ১০ তারিখ জানাবে ৫ সদস্যের বেঞ্চ

ayodhya

সবসংবাদ, দিল্লী : সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গৈগের প্রধান নেতৃত্বে পাঁচ বিচারকদের বেঞ্চ অযোধ্যা মামলা শুনবেন। মামলার শুনানি আগামী ১০ই জানুয়ারি হবে। প্রধান বিচারপতি ছাড়া বিচারপতি শরদ অরবিন্দ ববদে, এনভি রামানা, বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত ও বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচুর বেঞ্চে থাকবেন ।

আরও পড়ুন : মুসলিম মহিলাদের ন্যায় বিচার চায় না কংগ্রেস

গত ৪ ঠা জানুয়ারী সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলার শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ও বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কাউল বেঞ্চ মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে দু পক্ষের কথা শোনেন। শুনানি শেষে মাত্রই বিচারক নতুন তারিখ দিয়ে মামলাটি পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এলাহাবাদ হাইকোর্ট এই মামলার উপর রায় দেন , তার পর সেই রায় খারিজের জন্য ১৪ টি আবেদন আসে সুপ্রিম কোর্টে। নভেম্বরে আইনজীবী হরিলাল রাম দু সদস্যের বেঞ্চে শীঘ্র মামলা শুনানির জন্য আবেদন করেন। এতদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলা শুনছিলো।

আরও পড়ুন : DA নিয়ে কর্মচারীদের বিভ্রান্ত করায় প্রবল রোষের মুখে মুখমন্ত্রী

লোকসভা নির্বাচন কাছাকাছি থাকার কারণে, রাম মন্দিরের বিষয়েও রাজনীতি চলছে। কেন্দ্রের এনডিএ জোটের প্রধান সহযোগী শিবসেনা বলেছেন যে, যদি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মন্দিরটি নির্মিত না হয়। তা হলে জনগণকে প্রতারণা করা হবে। আর এর জন্য বিজেপি ও আরএসএস কে দোষী করা হবে। বিজেপির উচিত যেন তেন ভাবে লোকসভার আগে সংসদে অর্ডিনেন্স এনে আইন করে রামমন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা এনডিএ সহযোগী রাম ভিলাস পাসওয়ান এই অডিনেন্সের বিরোধিতা করে বলেন, সব পক্ষকে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বিবেচনা করা উচিত। সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছেন যে বিচার প্রক্রিয়ার শেষ হওয়ার পর, সরকার হিসাবে আমাদের দায়িত্ব আমরা পূরণ করার জন্য আমরা সব চেষ্টা করব।

আরও পড়ুন : ভাইরাল: মমতার জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা

এলাহাবাদ হাইকোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ ২০১০ সালের ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২:১ বিচারপতির সিদ্ধান্তে রায় ঘোষণা করে যে, ২.৭৭ একর জমি তিন পক্ষের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা উচিত। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মোহী আখড়া ও রাম লালা কে ভাগ করে দেওয়ার সির্দ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় । এই সিদ্ধান্তটি কোনও পক্ষের থেকেই মেনে নেওয়া হয় নি এবং এটি সুপ্রিম কোর্টে এই রায় খারিজের আবেদন করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট ৯ মে, ২০১১ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত খারিজ করেছিল। এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে আট বছর ধরে চলছে।

814Shares