বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত, কিন্তু কোন শর্তে?

bangladesh

সব সংবাদ : সদ্য নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন হয়েছে শেখ হাসিনার।আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জয়ের ইতিহাসকে এবার পাল্টে দিয়েছে। ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৭ টি আসনে জিতেছে হাসিনার জোট। তার মধ্যে হাসিনার দল আওয়ামীলীগ পেয়েছে একে ২৫৯ টি আসন। বিরোধীরা ১২ টি আসনে থমকে গেছে। যার মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধীদল বিএনপি পেয়েছে মাত্র ৬ টি আসন। গাইবান্ধা ৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে সেখানে নিদিষ্ট সময়ে ভোট হয় নি। আগামী ২৭ শে জানুয়ারী উক্ত কেন্দ্রে নির্বাচন হবে।
বাংলাদেশে হাসিনার জয়ে ভারত খুব গদগদ। যদিও এই নির্বাচনে ভারত বাইরে থেকে কোনোভাবেই সক্রিয়তা দেখায় নি। নির্বাচনের শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও।

আরও পড়ুন : Sonia Gandhi Exposed : হেলিকপ্টার কেলেঙ্কারিতে সোনিয়া ও রাহুলের নাম করলো দালাল ক্রিশ্চিয়ান মিশেল

আজ ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে টেলিফোন করেন। তিনি মাহমুদ আলীকে পুনরায় জয়ী হওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সুষমা স্বরাজ বলেন বাংলাদেশের পাশে আগের মতো থাকবে ভারত। যে কোনো সহযোগিতা চাইলে পাবে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন : 2018 সালের বড় 18 খবর, যা জানলে দেশের প্রতি গর্ব হবে

ভারত একটি শর্তে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। ২০০১ সালে বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। বিএনপি র প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী তখন ভারতে অটল বিহারি বাজপেয়ীর বিজেপি সরকার। খালেদা জিয়া বাংলাদেশের শাসক হিসাবে ভারতের কাছে অনুকূল ছিল না। বিএনপির সরকারের সময় মৌলবাদীরা ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছিলো। উনয়ন ও আর্থিক সংস্কারের থেকে দুর্নীতিতে বেশি নজর দিয়েছিল। বিএনপির জোট সঙ্গী জামাত ইসলামী ভারত বিরোধী কার্যকলাপের জন্য এই সরকারের সহযোগিতা পেত, পরে আদর্শ জামাত ইসলামী কে অবৈধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। এবার ও পাকিস্তান মৌলবাদীরা বাংলাদেশে বিএনপিকে আর্থিক সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ এসেছিলো।

আরও পড়ুন : ফের সফল ভারতীয় সেনা: ২ পাকিস্তানি হামলাকারীকে হত্যা LOC জঙ্গলে

সেই অর্থে আওয়ামী লীগের বিচারধারা ভারতের অনুকূলে। মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হাসিনার সরকার খুব কথার ভূমিকা পালন করে এসেছে। হাসিনার বক্তব্য, ভারতের বিরুদ্ধে কোনো সন্ত্রাসবাদীরা বাংলাদেশে প্রশয় পাবে না। এই শর্তে ভারত বাংলাদেশকে বিগত দশ বছর সহযোগিতা করে আসছে। আগামীতেও সাহায্য করার আশ্বাস পেয়েছে।

আজ বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশা ভবিষ্যতেও একসঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম এইচ আলী তার সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ভারতের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

97Shares