দোকান খুলতে মরিয়া বামেরা। আদা জল খেয়ে লেগে পড়বে জানুয়ারিতেই

দোকান

সবসংবাদ: ২০১১ সালে পরিবর্তন হয়েছে রাজ্যে। ৩৪ বছরের বাম শাসনকে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল।মাত্র তিন বছরে ২০১৪ সালের পর রাজ্যে বামেদের অবস্থা একেবারে খারাপ হয়ে পড়েছিল। রাজ্যে বিরোধী হিসাবে বামেদেরকে সরিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসাবে বিজেপির উত্থান হয়ে গেছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোটের ফলে সাধারণ ভোটার তৃণমূল বিরোধী শক্তি হিসেবে ফের বামেদের হাত শক্ত করে বিরোধী আসনে বসেছিলেন বামেদের। কিন্তু গঙ্গা নদীর উপর দিয়ে যত স্রোত গেছে ততো বামেদের অস্তিত্ব তারা নিজেরাই একেবারে হারিয়ে ফেলেছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের রাজ্যে প্রধান বিরোধী হিসাবে উঠে এসেছে বিজেপি। রাজ্যে সিপিএমের কার্য্যালয় আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে যে পরিমানে সাংবাদিকদের ভিড় থাকতো। আজ তা দেখে মনে হয় সেখানকার ডাকেন যেন বন্ধ হয়েছে। সেই সাথে বন্ধ হয়েছে কিছু লোকের রুটি রোজগার যারা ভিড়ের মাঝে কিছু বিক্রি করে কিছু উপার্জন হত। আজ সেই ভিড় লক্ষ্য করা যায় ৬ নাম্বার মুরলীধর সেন লেনদেন অর্থাৎ বিজেপির প্রদেশ কার্যালয়ের সামনে। কংগ্রেসের দোকান (বিধান ভবন) তো ২০১২ সাল থেকেই বন্ধ।

আরও পড়ুন: রাহুলকে জোর ধাক্কা দিয়ে জোট করলো দুই প্রধান বিরোধী দল। মহাসংকটে কংগ্রেস।

কিন্তু না আর বন্ধ নয় আগামী লোকসভাকে লক্ষ্য রেখে ফের দোকান খুলতে মরিয়া বামেরা। এবার এক টুকরো আদার সাথে এক ঢোক জল খেয়ে জানুয়ারিতেই লেগে পড়েছে লাল পার্টি। আগামী ৮ ও ৯ জানুয়ারী সারা দেশ জুড়ে সাধারণের ধর্মঘটের মাধ্যমে দেশ বাসীকে তাদের অস্তিত্ব দেখাতে চাইছে। এই ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল ও পথসভা করছে বামেরা।
শুধু তাই নয় বামেদের ছাত্র সংঘঠন এস অফ এই ও শীতঘুম কাটিয়ে সারা জানুয়ায়ী মাস জুড়ে জঙ্গি আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছে। আগামী ২২শে জানুয়ারি বাম ছাত্র সংগঠনটি কলকাতায় আইন অমান্য আন্দোলন করবে। সাথে থাকবে বামের বাকি যুব সংগঠনগুলিও। লালবাজার ঘেরাও অভিযান করার মত কর্মসূচি নিতে পারে এস অফ আই।

আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে সারা দেশ জুড়ে বামেদের এই ধর্মঘট কর্মসূচি যদি সফল হয় তাহলে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে আলিমদ্দিন স্ট্রিটের সামনে আবার ভিড় জমতে পারে ফের বামেদের সাথে সাথে আশেপাশের দোকান ও খুলতে পারে।

53Shares