রাহুলকে জোর ধাক্কা দিয়ে জোট করলো দুই প্রধান বিরোধী দল। মহাসংকটে কংগ্রেস।

Rahul ghandhi sonia ghandhi sad

সবসংবাদ: সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) একসঙ্গে উত্তরপ্রদেশে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। শুক্রবার দিল্লীতে আখিলেশ যাদব ও মায়াবতীয়ের মধ্যে একটি বৈঠক হয়।জানা গেছে, উভয় নেতাই কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে নির্বাচন করার পক্ষে নয়। জোটে, ছোট দলকে নেওয়া হবে। ১৫ জানুয়ারির পর আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সূত্র অনুযায়ী, ৮০ টি আসনের মধ্যে উভয় দল ৩৭ -৩৭ আসন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। জোট সঙ্গী অজিত সিং এর ‘জাতীয় লোক দল’ (আরএলডি) তিনটি আসন পেতে পারে। অবশিষ্ট ছয় আসন বাকি জোটের অংশীদারদের দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: মায়া-মমতা-অখিলেশ গেলেন না কোনো শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে

শুক্রবার আখিলেশ যাদব সন্ধ্যা ৬ টায় মায়াবতীর বাসভবনে আসেন। দুজনের মধ্যে দুই ঘন্টার আলোচনা হয়। এদিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা রামগোপাল যাদব দিল্লীতে বলেন, এসপি ও বিএসপির মধ্যে একটি জোট হবে । তারা কতোটুকু আসন পাবে? এই দুই নেতারা সিদ্ধান্ত নেবে।

গোরক্ষপুর ও ফুলপুর লোকসভার উপ-নির্বাচনে বহুজন সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীকে ভোট দেয়ার জন্য বলা হয়। কোরিয়ান বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে কংগ্রেস, সমাজবাদী, বহুজন সমাজবাদী পার্টি, জাতীয় লোক দল (আরএলডি) প্রার্থীকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেন। উত্তর প্রদেশের এই তিন লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় হয়।

আরও পড়ুন: যদি জগাখিচুড়ি করার চেষ্টা করেন, তবে শেষ হবেন : চন্দ্রবাবু নাইডু

২০১৪ সালে আলাদা আলাদা লড়াই করে বিজেপি ৭৩, এসপি ০৫ কংগ্রেস ০২ জিতেছিল। বহুজন সমাজবাদী পার্টি একটি আসন ও যেতে নি। তাই এবারের লোকসভা নির্বাচনে জোট করে বহুজন সমাজবাদী পার্টি তাদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে ম্যারিয়ট হয়ে পড়েছে ।

কংগ্রেস কে বাদ দিয়ে এই জোট উত্তরপ্রদেশে নির্বাচন করলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বড় ধাক্কা খাবে রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন। কারণ ২০১৪ সালের নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের দুটি আসনে মা ও ছেলে অর্থাৎ রাহুল ও সোনিয়া গান্ধী তাদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল। আগামী লোকসভা নির্বাচনে মায়াবতী ও অখিলেশ যাদবের জোট হলে এই দুটি আসন টিকিয়ে রাখা কংগ্রেসের পক্ষে খুব মুশকিল। দীর্ঘদিন ধরে নে আমেঠি ও রায়বেরেলী এই দুই আসনে কংগ্রেস তাদের সম্মান বজায় রেখে আসছে। কিন্তু অন্য আসনে লড়তে গেলে কংগ্রেসের আত্মসম্মান খোয়াতে হবে এবং কংগ্রেস কর্মীদের কাছে খারাপ বার্তা যাবে।

805Shares