প্রদেশ কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ বদলালো ব্রিগেড সভার পর

sabsangbad- soumen mitra

প্রতিবেদন: ২০০৯ সালে ঘর বেঁধে টেকে নি। তৃণমূলকে ফের ক্ষমতা থেকে সরাতে বামেদের সাথে জোট করেছিল প্রদেশ কংগ্রেস। ২০১৬ সালে বামেদের সাথে জোট করে প্রচার মঞ্চ শেয়ার করেছিল কংগ্রেস। তখন মূল প্রতিদন্ধী ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বামেদের ভোট কংগ্রেস বহু আসনে জিতে কৃতজ্ঞাতা স্বীকার করে আগামী দিনে একসাথে একসাথে লড়াই করার কথা জানিয়েছিল তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কিন্তু আজ ব্রিগেডের মাঠে রাজ্য বাসীর নতুন অভিজ্ঞাতা হলো।

প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হিসাবে আজ অধীর নেই , তাই তার দেওয়া ঘোষনার ও কোনো মূল্য না থাকায় স্বাভাবিক। কিন্তু অস্বভাবিক এটাই যে, যে প্রদেশ কংগ্রেস রাজ্যে তৃণমূলের বিরুধ্যে লড়াই করতে গিয়ে যত্র তত্র মার্ খাচ্ছে। সেই তৃণমূলের ডাকা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে সেই কংগ্রেস দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। মঞ্চে নেই প্রদেশ কংগ্রেসের কেউ। এইভাবে প্রটোকল ভাঙা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। এর আগেও তার প্রচুর নজির আছে। তবে এটি একরকম ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো। আবার বলতে গেলে ইটা এক ধরনের উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়ার রাজনীতি। ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস কিন্তু রাজ্য নেতৃত্ব খেতে পারে না, শুধু কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই খায়।

এখন প্রশ্ন হলো ? আগামী লোকসভা নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেসের ভূমিকা কি? দিদি তো এক বছর আগেই বলে দিয়েছে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ। তবে কি প্রদেশ কংগ্রেস দিদির বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ -এ সহযোগিতা করবে নাকি নিজেরা লড়বে। নিজেরা লড়লে এই মহাজোটের ভবিষ্যৎ কোথায় ? না লড়লে বাংলায় কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ কোথায় ? এই দুয়ের টানা পোড়োনে আজ চিন্তিত প্রদেশ কংগ্রেস।
রাজনীতিতে ব্যর্থ রাহুল সবে সফলতা দেখতে শুরু করেছে তিন রাজ্যে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে। এখন তিনি আরো সফলতা অর্জনের তাগিদে দিদির সাথে সখ্যতা করতে চাইছেন। কিন্তু তাতে প্রদেশ কংগ্রেসের আগামী দিনে ব্যর্থতা প্রকাশ পাবে। এই মুহূর্তে রাজ্যে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে কিছু নেই। সব খেয়ে নিয়েছে তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারানোর চক্রে নিজেরা রাজ্য থেকে হারিয়ে যাবার ভয় পাচ্ছে।

485Shares