মতুয়া সংঘের মঞ্চে দেখা গেলো না তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রীকে

Matua Sangha

সব সংবাদ : ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনগাঁও এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের কর্মচারী মঞ্জুল কৃষ্ণা ঠাকুর তথা প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের ছোট ছেলেকে গাইঘাটা বিধানসভার টিকিট দেন। তৃণমূলের টিকিটে জিতে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর ফের একবার পরিবারকে রাজনীতির আঙিনায় নিয়ে আসেন। তিনি ২০১১ সালে তৃণমূলের তপশিলী উন্নয়নমন্ত্রী হন। ২০১৫ সালে বড়দাদা কপিলকৃষ্ণ ঠাকুরের মৃত্যুতে বনগাঁও লোকসভার উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটের দাবি করে তার ছেলে সুব্রত ঠাকুরের জন্য। কিন্তু তৃণমূল মমতাবালা ঠাকুরকে টিকিট দিলে তৃণমূলের উপর নারাজ হয়ে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেন এবং ছেলেকে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে নির্বাচনে দাঁড় করান।

নির্বাচনে হেরে সুব্রত ঠাকুর অষ্টিয়াতে চলে গেলে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর ফের তৃণমূল যোগ দেওয়ার জন্য আর্জি জানান। তবে পরে আর সেই গুরুত্ব পাননি মঞ্জুলকৃষ্ণ। তারপর থেকে রাজনীতি থেকে হারিয়ে যান তিনি। মঞ্জুল কৃষ্ণের ছোট ছেলে শান্তনু ঠাকুর আজ মতুয়া মহাসংঘের সঙ্ঘাধিপতি। বিজেপি ঘনিষ্ঠ শান্তনু ঠাকুর মতুয়া সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সভা করে চমকে দিয়েছেন গোটা রাজ্যকে। মতুয়া মহাসংঘের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মঞ্জুলকৃষ্ণের স্ত্রী ছায়ারানি ও শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রীকে দেখা গেলেও মঞ্চে দেখা গেলো না তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরকে। তিনি অবশ্য ওই সময় তার মা বীণাপানি দেবীর কাছে ছিলেন বলে জানা গেছে।

403Shares