হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষায় মোদি, নাগরিকত্ব বিল নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ

narendra মোদি in assam

সবসংবাদ: নাগরিকত্ব সংশোধন বিল নিয়ে আসামে উত্তেজনা ও বিক্ষোভ চলছে। তারই মাঝে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ আসামে যান। আসামের এক জনসভায় তিনি বলেন দেশে কোন রকম অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা নেই। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে। পুরো দেশ দেখেছে চৌকিদার কিভাবে তার কাজ করছে। কিন্তু কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা সকাল-সন্ধ্যায় মোদী মোদী করে কাঁদছে। এখন দেশে বিরোধীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে কে কত মোদিকে গালাগালি দিতে পারে।

আরও পড়ুন: ২০১৯লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বুথ কর্মীদের জন্য বিশেষ চমক -প্রধানমন্ত্রী

মোদি বলেন, “আমাদের সরকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে। আর দিল্লির এসি ঘরে বসে থাকা লোকেরা নাগরিকত্ব সংশোধন বিল সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে। আমাদের সেই সমস্ত মানুষের কোথাও ভাবা উচিত যাদের নিজের দেশ ছাড়তে হচ্ছে”। নরেন্দ্র মোদী আসামে বোঝাতে চেয়েছেন, যে সমস্ত হিন্দু, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টানরা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সংখ্যালঘু হিসাবে নির্যাতিত, যারা এ দেশে চলে আসছেন তাদের এদেশে থাকতে দেওয়া হবে। কিন্তু যারা অন্য দেশ থেকে রুটি রোজগারের জন্য দেশের মানুষের খাবারে ভাগ বসাতে চাইছে । তাদেরকে এ দেশে রাখা হবে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শরণার্থী ও অনুপ্রবেশকারীর মানে বোঝাতে চেয়েছেন।

শরণার্থীদের অধিকার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের থেকে আলাদা হওয়া দেশগুলিতে যে সমস্থ সংখ্যালঘুরা ছিলেন, অর্থাৎ হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সিস এবং খ্রিস্টানদের রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। তারা পাকিস্তান থেকে এসেছে কিনা, আফগানিস্তান থেকে বা বাংলাদেশ থেকে এসেছে দেখা হবে না। ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে যখন দেশ ভাগ হয়েছিল তখন ওই দেশের সংখ্যালঘুদের অধিকারের কথা আমাদের বিবেচনা করা উচিত।

বিরোধীরা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে বারবার দেশবাসীকে ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি অসমের সভা থেকে তার প্রতিবাদ করেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এই সংশোধনী বিল নিয়ে প্রচন্ড ভাবে উত্তেজনা এবং বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা প্রচার করছে যে, এই সংশোধনী বিল একপ্রকার ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী। বিরোধীদের প্রচারে আগামী লোকসভা নির্বাচনে কোন প্রভাব পড়বে না তা মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ভারতবাসী বুঝতে শিখেছে করা শরণার্থী আর করা অনুপ্রবেশকারী।

1394Shares