মৌলভীবাজারের লুয়াইনি হলিছড়া চা বাগানটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে

 

তাদের বহিষ্কারের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া লুয়াইনি হলিছড়া চা বাগানের চা শ্রমিকরা ধর্মঘটে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতির কারণে কর্তৃপক্ষ উদ্যানকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।

উচ্ছেদ হওয়া শ্যামল পাশীকে পুনঃস্থাপনের দাবিতে শ্রমিকরা দুদিন ধরে বাংলোটির সামনে ধর্মঘটে অবস্থান করছেন।

বুধবার সকাল ৯ টা থেকে শ্রমিকরা একটানা ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তারা বাংলোটির সামনে অবস্থান নিয়েছিল। এতে ৫০০ বাগান শ্রমিক অংশ নিয়েছিল।

বাগান কর্তৃপক্ষের মতে, শ্রমিকরা শিল্প আইন না মেনে অবৈধভাবে ধর্মঘটে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উদ্যানটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শ্রমিকরা জানান, তাদের দাবির মধ্যে চা বাগান শ্রমিকদের ধারা ২ 26 এ (ক) বাতিল করা, শ্রমিকদের ধর্মঘটের মৌখিক অবসান, অতিরিক্ত পাতা উত্তোলনের ন্যায্য বকেয়া প্রদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ল্যাংলা উপত্যকার সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম জানান, বাগান কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের মৌখিকভাবে বরখাস্ত করেছে। চা শ্রমিক শ্যামল পাশীকে বিনা অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে শ্রমিকরা লুয়াইন চা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলোয়ের পাশের মাঠে সমাবেশ করে। কর্মসূচির শেষে বাগান পরিচালনা কর্মীরা আজ কর্মস্থলে না যাওয়ার ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বাংলোটি ঘিরে ফেলেন। বারবার আমরা একটি বোঝার জন্য জিএম মোহাম্মদ আলীর সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের কোনও দাবি মানেননি। আমরা একটানা ধর্মঘট ডাকতে বাধ্য হয়েছিলাম।

লুয়ানী হলিছড়া চা বাগানের জিএম মোহাম্মদ আলী বলেছিলেন, “মালিকরা শ্রম হাউসের সাথে চুক্তি অনুসারে তাদের দাবি পূরণ করছে।” আমরা তাদের অনেক সুযোগ দিয়েছি। শ্যামল পাশীকে অবৈধভাবে জমি দখল করা এবং অদৃশ্য কাজে জড়িত থাকার কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা অবৈধভাবে ধর্মঘটে রয়েছেন। আমাদের অবরোধ করতে আমরা প্রশাসনের সহায়তা তালিকাভুক্ত করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উদ্যানটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।